কিভাবে আমেরিকা মিডল ইস্টকে ধ্বংস করছে? চলুন, রহস্য উন্মোচন করি!

মিডল ইস্ট: এক অনন্ত অস্থিরতার নাম

মধ্যপ্রাচ্য, এক সময় সভ্যতার সূতিকাগার, আজ বিশৃঙ্খলার প্রতিচ্ছবি। কিন্তু কেন? শুধুই কি অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, নাকি এর পেছনে রয়েছে বৃহৎ শক্তির পরিকল্পিত হস্তক্ষেপ? আমেরিকার ভূমিকাই বা কী?


তেলের লোভ: অশান্তির মূল কারণ?

মিডল ইস্ট মানেই তেলের বিশাল ভাণ্ডার। আর ঠিক এখানেই আমেরিকার অদৃশ্য হাত! ইরাক, লিবিয়া কিংবা সিরিয়া—সব ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যেখানে আমেরিকার সামরিক হস্তক্ষেপ হয়েছে, সেখানে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়েছে। ইরাকের ‘মুক্তির’ নামে সাদ্দাম হোসেনকে সরানো হলো, কিন্তু এরপর? দেশটি গৃহযুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হলো!

সন্ত্রাসবাদের জন্মদাতা?

আমেরিকা দাবি করে, তারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। কিন্তু তালেবান, আল-কায়েদা বা আইএস—এসব সংগঠন তৈরি হলো কিভাবে? বিভিন্ন সূত্র বলছে, শীতল যুদ্ধের সময় আমেরিকাই এসব গোষ্ঠীকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়েছিল। তারপর? সেই সন্ত্রাসীদের দমনের অজুহাতে সেখানে হানা দেয়া হলো!


ইসরায়েলের মদদ: ফিলিস্তিনে আগ্রাসন

আরেকটি বড় ইস্যু হলো ফিলিস্তিন। ইসরায়েলের প্রতি আমেরিকার অকুণ্ঠ সমর্থন কি শুধু বন্ধুত্বের কারণে? না! এটা আসলে মধ্যপ্রাচ্যে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখার অংশ। ফিলিস্তিনিরা যুগ যুগ ধরে নির্যাতিত হচ্ছে, কিন্তু আমেরিকা বরং ইসরায়েলের সামরিক শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

সিরিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও যুদ্ধনীতি

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে উৎখাতের জন্য আমেরিকা বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে মদদ দিয়েছে। আর ইরান? পরমাণু কর্মসূচির অজুহাতে দেশটির অর্থনীতি ধ্বংস করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ!

 আসল উদ্দেশ্য কী?

আসলে আমেরিকার মূল লক্ষ্য কী? মিডল ইস্টের প্রাকৃতিক সম্পদ কব্জা করা, অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল রাখা, এবং বিশ্বব্যাপী নিজের আধিপত্য বিস্তার করা।

আপনার মতামত কী? আপনি কি মনে করেন আমেরিকা সত্যিই শান্তির জন্য কাজ করছে, নাকি এটাই আধুনিক উপনিবেশবাদ? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানান! আর যদি ভালো লেগে থাকে, তাহলে লাইক, শেয়ার আর সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না!

No comments

Theme images by Jason Morrow. Powered by Blogger.